নেদারল্যান্ডের ইলেকট্রিক গাড়ি নির্মাতা সংস্থা Lightyear অবশেষে বাজারে নিয়ে এসেছে বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক সৌরচালিত ইলেকট্রিক কার, Lightyear 0। সাত বছরের দীর্ঘ গবেষণা ও উন্নয়নের পর কোম্পানিটি এই অসাধারণ প্রযুক্তি নির্ভর গাড়িটি বাজারে আনল।
Lightyear 0–তে ব্যবহৃত হয়েছে 60 kWh ব্যাটারি প্যাক, যা এক চার্জে প্রায় 625 কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে সক্ষম। এর মধ্যে প্রায় 60 কিমি পর্যন্ত শক্তি সরাসরি সূর্যালোক থেকে পাওয়া যায়। গাড়ির বনেট, ছাদ ও পেছনের অংশে মোট 54 বর্গফুট সোলার প্যানেল সংযোজিত হয়েছে, যা সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে ব্যাটারি চার্জ রাখে।
চাকার ভেতরে স্থাপন করা হয়েছে মোটর, যা সর্বোচ্চ 174 PS শক্তি উৎপাদন করতে পারে। এই গাড়ি 0 থেকে 100 কিমি/ঘণ্টা বেগে পৌঁছায় মাত্র 10 সেকেন্ডে, আর সর্বোচ্চ গতি 160 কিমি/ঘণ্টা। কোম্পানির দাবি, আদর্শ পরিস্থিতিতে বছরে কোনও চার্জিং খরচ ছাড়াই প্রায় 11,000 কিমি চালানো সম্ভব এই গাড়িতে।Lightyear জানায়, যদি কোনো ব্যবহারকারী প্রতিদিন গড়ে 35 কিমি করে চলাচল করেন, তবে রৌদ্রোজ্জ্বল অঞ্চলে 7 মাস পর্যন্ত একটানা চার্জ না করেই গাড়ি চালানো যাবে। আবার, কম সূর্যালোক পাওয়া দেশগুলোতেও প্রায় 2 মাস পর্যন্ত চার্জ ছাড়াই প্রতিদিন চালানো সম্ভব।
ডিজাইনের ক্ষেত্রেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে অ্যারোডাইনামিক পারফরম্যান্সে। লম্বা ও স্লিক বডি ডিজাইন গাড়িটিকে করেছে আরও এনার্জি-এফিশিয়েন্ট। Lightyear-এর দাবি অনুযায়ী, এটি বিশ্বের সবচেয়ে এনার্জি-এফিশিয়েন্ট গাড়ি, কারণ প্রতি 100 কিমিতে মাত্র 10.5 kWh শক্তি খরচ হয়, যা হাইওয়ে গতিতেও কার্যকর।
Lightyear 0 শুধুমাত্র প্রযুক্তি নয়, ভবিষ্যতের টেকসই পরিবহনের এক বাস্তব উদাহরণ। এটি প্রমাণ করছে, সূর্যের আলোই হতে পারে আগামী দিনের চলাচলের প্রধান শক্তি উৎস।

শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৫
নেদারল্যান্ডের ইলেকট্রিক গাড়ি নির্মাতা সংস্থা Lightyear অবশেষে বাজারে নিয়ে এসেছে বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক সৌরচালিত ইলেকট্রিক কার, Lightyear 0। সাত বছরের দীর্ঘ গবেষণা ও উন্নয়নের পর কোম্পানিটি এই অসাধারণ প্রযুক্তি নির্ভর গাড়িটি বাজারে আনল।
Lightyear 0–তে ব্যবহৃত হয়েছে 60 kWh ব্যাটারি প্যাক, যা এক চার্জে প্রায় 625 কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে সক্ষম। এর মধ্যে প্রায় 60 কিমি পর্যন্ত শক্তি সরাসরি সূর্যালোক থেকে পাওয়া যায়। গাড়ির বনেট, ছাদ ও পেছনের অংশে মোট 54 বর্গফুট সোলার প্যানেল সংযোজিত হয়েছে, যা সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে ব্যাটারি চার্জ রাখে।
চাকার ভেতরে স্থাপন করা হয়েছে মোটর, যা সর্বোচ্চ 174 PS শক্তি উৎপাদন করতে পারে। এই গাড়ি 0 থেকে 100 কিমি/ঘণ্টা বেগে পৌঁছায় মাত্র 10 সেকেন্ডে, আর সর্বোচ্চ গতি 160 কিমি/ঘণ্টা। কোম্পানির দাবি, আদর্শ পরিস্থিতিতে বছরে কোনও চার্জিং খরচ ছাড়াই প্রায় 11,000 কিমি চালানো সম্ভব এই গাড়িতে।Lightyear জানায়, যদি কোনো ব্যবহারকারী প্রতিদিন গড়ে 35 কিমি করে চলাচল করেন, তবে রৌদ্রোজ্জ্বল অঞ্চলে 7 মাস পর্যন্ত একটানা চার্জ না করেই গাড়ি চালানো যাবে। আবার, কম সূর্যালোক পাওয়া দেশগুলোতেও প্রায় 2 মাস পর্যন্ত চার্জ ছাড়াই প্রতিদিন চালানো সম্ভব।
[346]
[221]
ডিজাইনের ক্ষেত্রেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে অ্যারোডাইনামিক পারফরম্যান্সে। লম্বা ও স্লিক বডি ডিজাইন গাড়িটিকে করেছে আরও এনার্জি-এফিশিয়েন্ট। Lightyear-এর দাবি অনুযায়ী, এটি বিশ্বের সবচেয়ে এনার্জি-এফিশিয়েন্ট গাড়ি, কারণ প্রতি 100 কিমিতে মাত্র 10.5 kWh শক্তি খরচ হয়, যা হাইওয়ে গতিতেও কার্যকর।
Lightyear 0 শুধুমাত্র প্রযুক্তি নয়, ভবিষ্যতের টেকসই পরিবহনের এক বাস্তব উদাহরণ। এটি প্রমাণ করছে, সূর্যের আলোই হতে পারে আগামী দিনের চলাচলের প্রধান শক্তি উৎস।

আপনার মতামত লিখুন