বাংলাদেশের স্বর্ণ বাজারে আবারও মূল্য বৃদ্ধি ঘোষণা করা হয়েছে। চলতি মাসে এক দফা দাম কমার পর মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও স্বর্ণের দাম বেড়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন এই মূল্য তালিকা প্রকাশ করে। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) থেকেই নতুন দাম কার্যকর হবে।
বাজুস জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে এবং স্থানীয় পর্যায়ে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের বাজারেও সমন্বয় করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী:
২২ ক্যারেট স্বর্ণ (ভালো মানের): প্রতি ভরি ১,৮৯,৩০৭ টাকা
২১ ক্যারেট স্বর্ণ: প্রতি ভরি ১,৮০,৬৯৯ টাকা
১৮ ক্যারেট স্বর্ণ: প্রতি ভরি ১,৫৪,৮৮৬ টাকা
সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ: প্রতি ভরি ১,২৮,৪৭৯ টাকা
এর আগে গত মাসে দু’দফা এবং চলতি মাসেই ছয়বার স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল। সর্বশেষ দাম দাঁড়িয়েছিল ১,৮৯,৬২২ টাকা প্রতি ভরি (২২ ক্যারেট), যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দাম হিসেবে রেকর্ড হয়েছিল।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক স্বর্ণ বাজারে মূল্য ওঠানামার কারণে বাংলাদেশে ঘন ঘন দাম পরিবর্তন হচ্ছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বর্ণ সব সময়ই নিরাপদ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হলেও ক্রেতাদের জন্য এর বাড়তি দাম চাপ তৈরি করছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি
ডলার সংকট ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা
স্থানীয় চাহিদা এবং আমদানি নির্ভরতা
বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম ক্রমাগত বাড়ায় সাধারণ মানুষ এখন দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। বিয়েসহ বিভিন্ন সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে স্বর্ণ অপরিহার্য হলেও মূল্যস্ফীতির কারণে ক্রেতাদের অনেকেই কিস্তিতে স্বর্ণ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেকে স্বল্পমূল্যের বা কম ক্যারেটের স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছেন, আবার কেউ কেউ বিকল্প জুয়েলারি বেছে নিচ্ছেন, যাতে খরচ সামলানো যায়। দাম বৃদ্ধির প্রভাব শুধু ক্রেতাদের অর্থনৈতিক অবস্থাতেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি সামাজিক অনুষ্ঠানগুলির আয়োজন ও পরিকল্পনাতেও পরিবর্তন আনছে।
এতে
দেখা যায় যে সাধারণ মানুষকে তাদের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক প্রথা বজায় রাখতে অতিরিক্ত
চাপের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। স্বর্ণের এই মূল্যস্ফীতি দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং
বাজারে সরবরাহ-চাহিদার উপরও প্রভাব ফেলছে, যা সামগ্রিকভাবে সাধারণ মানুষের
জীবনযাত্রার ওপর প্রভাব বিস্তার করছে।

সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশের স্বর্ণ বাজারে আবারও মূল্য বৃদ্ধি ঘোষণা করা হয়েছে। চলতি মাসে এক দফা দাম কমার পর মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও স্বর্ণের দাম বেড়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন এই মূল্য তালিকা প্রকাশ করে। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) থেকেই নতুন দাম কার্যকর হবে।
বাজুস জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে এবং স্থানীয় পর্যায়ে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের বাজারেও সমন্বয় করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী:
২২ ক্যারেট স্বর্ণ (ভালো মানের): প্রতি ভরি ১,৮৯,৩০৭ টাকা
২১ ক্যারেট স্বর্ণ: প্রতি ভরি ১,৮০,৬৯৯ টাকা
১৮ ক্যারেট স্বর্ণ: প্রতি ভরি ১,৫৪,৮৮৬ টাকা
সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ: প্রতি ভরি ১,২৮,৪৭৯ টাকা
এর আগে গত মাসে দু’দফা এবং চলতি মাসেই ছয়বার স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল। সর্বশেষ দাম দাঁড়িয়েছিল ১,৮৯,৬২২ টাকা প্রতি ভরি (২২ ক্যারেট), যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দাম হিসেবে রেকর্ড হয়েছিল।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক স্বর্ণ বাজারে মূল্য ওঠানামার কারণে বাংলাদেশে ঘন ঘন দাম পরিবর্তন হচ্ছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বর্ণ সব সময়ই নিরাপদ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হলেও ক্রেতাদের জন্য এর বাড়তি দাম চাপ তৈরি করছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি
ডলার সংকট ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা
স্থানীয় চাহিদা এবং আমদানি নির্ভরতা
বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম ক্রমাগত বাড়ায় সাধারণ মানুষ এখন দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। বিয়েসহ বিভিন্ন সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে স্বর্ণ অপরিহার্য হলেও মূল্যস্ফীতির কারণে ক্রেতাদের অনেকেই কিস্তিতে স্বর্ণ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেকে স্বল্পমূল্যের বা কম ক্যারেটের স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছেন, আবার কেউ কেউ বিকল্প জুয়েলারি বেছে নিচ্ছেন, যাতে খরচ সামলানো যায়। দাম বৃদ্ধির প্রভাব শুধু ক্রেতাদের অর্থনৈতিক অবস্থাতেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি সামাজিক অনুষ্ঠানগুলির আয়োজন ও পরিকল্পনাতেও পরিবর্তন আনছে।
এতে
দেখা যায় যে সাধারণ মানুষকে তাদের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক প্রথা বজায় রাখতে অতিরিক্ত
চাপের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। স্বর্ণের এই মূল্যস্ফীতি দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং
বাজারে সরবরাহ-চাহিদার উপরও প্রভাব ফেলছে, যা সামগ্রিকভাবে সাধারণ মানুষের
জীবনযাত্রার ওপর প্রভাব বিস্তার করছে।

আপনার মতামত লিখুন