দুর্নীতি, জালিয়াতি ও হত্যা মামলাসহ মোট পাঁচটি মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। রবিবার তার আইনজীবী হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এসব আবেদন জমা দেন। আজ সোমবার (২০ অক্টোবর) বিচারপতি এ এস এম আব্দুল মোবিনের বেঞ্চে এসব মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
জালিয়াতি মামলায় বলা হয়েছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় সাতজন বিচারকের যৌথ সিদ্ধান্তে দেওয়া হয়েছিল। খায়রুল হক এককভাবে রায় দেননি, কিংবা কাউকে জোরও করেননি।
হত্যা মামলার আবেদনে দাবি করা হয়, অভিযোগের দিন তিনি আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন এবং পুলিশ প্রোটোকল অনুযায়ী সেদিন বাড়িতেই ছিলেন।
দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, পূর্বাচল প্রকল্পে প্লটের জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কিস্তি না দেয়ায় ৪ লাখ ৭৪ হাজার টাকা সুদ মওকুফ করা হয়। কিন্তু খায়রুল হক বলেন, তিনি সুদ মওকুফের আবেদনই করেননি; এটি আইনি বিষয়, ফৌজদারি অপরাধ নয়।
গত ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে “জুলাই আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আহাদ হত্যা মামলা” এবং নারায়ণগঞ্জের জাল রায় মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
এছাড়া ২৫ আগস্ট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি আবদুল বারী ভূঁইয়া তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।
চলতি বছরের ১১ আগস্ট হাইকোর্টে তার জামিন শুনানির সময় আওয়ামীপন্থি ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোল ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এতে আদালতপাড়ায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
খায়রুল হক বর্তমানে পাঁচটি মামলায় জামিন চাইছেন—যার মধ্যে হত্যা, দুর্নীতি ও জালিয়াতি মামলা রয়েছে। আজকের শুনানির ফলাফল নির্ধারণ করবে তিনি আপাতত মুক্তি পাবেন কি না।
এই মামলাগুলোর অগ্রগতি দেশের বিচারব্যবস্থা ও ন্যায়বিচারের ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশ করবে। পাঠক হিসেবে আপনি কি মনে করেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক জামিন পাওয়া উচিত? আপনার মতামত নিচে জানান।

শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৫
দুর্নীতি, জালিয়াতি ও হত্যা মামলাসহ মোট পাঁচটি মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। রবিবার তার আইনজীবী হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এসব আবেদন জমা দেন। আজ সোমবার (২০ অক্টোবর) বিচারপতি এ এস এম আব্দুল মোবিনের বেঞ্চে এসব মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
জালিয়াতি মামলায় বলা হয়েছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় সাতজন বিচারকের যৌথ সিদ্ধান্তে দেওয়া হয়েছিল। খায়রুল হক এককভাবে রায় দেননি, কিংবা কাউকে জোরও করেননি।
হত্যা মামলার আবেদনে দাবি করা হয়, অভিযোগের দিন তিনি আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন এবং পুলিশ প্রোটোকল অনুযায়ী সেদিন বাড়িতেই ছিলেন।
দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, পূর্বাচল প্রকল্পে প্লটের জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কিস্তি না দেয়ায় ৪ লাখ ৭৪ হাজার টাকা সুদ মওকুফ করা হয়। কিন্তু খায়রুল হক বলেন, তিনি সুদ মওকুফের আবেদনই করেননি; এটি আইনি বিষয়, ফৌজদারি অপরাধ নয়।
গত ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে “জুলাই আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আহাদ হত্যা মামলা” এবং নারায়ণগঞ্জের জাল রায় মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
এছাড়া ২৫ আগস্ট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি আবদুল বারী ভূঁইয়া তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।
চলতি বছরের ১১ আগস্ট হাইকোর্টে তার জামিন শুনানির সময় আওয়ামীপন্থি ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোল ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এতে আদালতপাড়ায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
খায়রুল হক বর্তমানে পাঁচটি মামলায় জামিন চাইছেন—যার মধ্যে হত্যা, দুর্নীতি ও জালিয়াতি মামলা রয়েছে। আজকের শুনানির ফলাফল নির্ধারণ করবে তিনি আপাতত মুক্তি পাবেন কি না।
এই মামলাগুলোর অগ্রগতি দেশের বিচারব্যবস্থা ও ন্যায়বিচারের ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশ করবে। পাঠক হিসেবে আপনি কি মনে করেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক জামিন পাওয়া উচিত? আপনার মতামত নিচে জানান।

আপনার মতামত লিখুন