বিএনপির মনোনয়ন প্রার্থী হিসেবে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনীত
প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। সিলেট-৪ আসনে সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এবং
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান মনোনীত হয়েছেন। দল এখনও ৬৩টি আসনে প্রার্থী
ঘোষণা বাকি রেখেছে। মনোনয়ন ঘোষণার পর স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা আনন্দ প্রকাশ করেছেন।
ভোটের সম্ভাবনা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নির্দেশে সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সিলেট-৪
আসনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) ঢাকায় কেন্দ্রীয় কমিটির জরুরি
বৈঠকে তাকে ডাকা হয় এবং বুধবার রাতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। আরিফুল হক
জানিয়েছেন, দলের আদেশ সর্বদা মানা তার দায়িত্ব এবং তিনি সিলেট-৪ আসনে ভোটে অংশ
নেবেন।
তাদের এলাকায় স্থানীয় নেতা-কর্মীরা ইতিমধ্যেই
মনোনয়নের খবরে উৎসবমুখর। আরিফুল হক চৌধুরী মেয়র হিসেবে নগরী উন্নয়নের বিভিন্ন
প্রকল্প হাতে নিয়েছেন, যার মধ্যে সড়ক ও পানির সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন
গুরুত্বপূর্ণ।
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে দলের মনোনয়ন পেয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা ও বিএনপির উপদেষ্টা ফজলুর
রহমান। তিনি জানিয়েছেন, এলাকায় মানুষের পাশে থেকে তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হতে
চান। মনোনয়ন ঘোষণার পর সমর্থকরা আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছেন।
ফজলুর রহমান আরও জানিয়েছেন, দলীয় দায়িত্ব পালন
করাই তার প্রধান অগ্রাধিকার এবং নির্বাচনী প্রচারণা স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় সফল
হবে।
দল এখনো ৬৩টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেনি। অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও মিত্র দলের সঙ্গে
আসন বণ্টনের কারণে এসব আসনের সিদ্ধান্ত স্থগিত রয়েছে। বিশেষ করে ঝিনাইদহ,
কুমিল্লা, সুনামগঞ্জ, নীলফামারী এবং ঢাকা জেলার কয়েকটি আসনে প্রার্থীদের মধ্যে
প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র।
বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা
হয়েছে, যার পর নেতাকর্মীরা আনন্দ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ
আশা করছেন, মনোনীত প্রার্থীরা ভোটে জয়লাভ করে এলাকার উন্নয়ন নিশ্চিত করবেন।
বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আশা করছেন, মনোনীত প্রার্থীরা নির্বাচনী এলাকায় জনগণের
পাশে থেকে দলের মূল্যবোধ বজায় রাখবেন। এছাড়া দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম
আলমগীর আশ্বাস দিয়েছেন, যারা এখনও মনোনয়ন পাননি, তাদেরও যথাযথ দায়িত্ব দেওয়া হবে।
বিএনপির মনোনয়ন প্রার্থী ৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে নির্বাচনী এলাকায় শক্তিশালী উপস্থিতি বজায় রেখেছেন।
সিলেট-৪ আসনে সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এবং কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর
রহমানের মনোনয়ন ঘোষণার পর স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ব্যাপক আনন্দ প্রকাশ করেছেন।
ভোটের সম্ভাবনা নিয়ে সিলেট ও কিশোরগঞ্জে সমীক্ষা ও স্থানীয় গণমাধ্যমে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া
এসেছে। দল এখনও ৬৩টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা বাকি রেখেছে, যা নির্বাচনী উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। মনোনীত
প্রার্থীরা তাদের এলাকায় জনগণের পাশে থেকে ভোট প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন, এবং নির্বাচনী
পরিস্থিতি এখন খুবই উত্তেজনাপূর্ণ।

শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৫
বিএনপির মনোনয়ন প্রার্থী হিসেবে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনীত
প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। সিলেট-৪ আসনে সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এবং
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান মনোনীত হয়েছেন। দল এখনও ৬৩টি আসনে প্রার্থী
ঘোষণা বাকি রেখেছে। মনোনয়ন ঘোষণার পর স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা আনন্দ প্রকাশ করেছেন।
ভোটের সম্ভাবনা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নির্দেশে সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সিলেট-৪
আসনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) ঢাকায় কেন্দ্রীয় কমিটির জরুরি
বৈঠকে তাকে ডাকা হয় এবং বুধবার রাতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। আরিফুল হক
জানিয়েছেন, দলের আদেশ সর্বদা মানা তার দায়িত্ব এবং তিনি সিলেট-৪ আসনে ভোটে অংশ
নেবেন।
তাদের এলাকায় স্থানীয় নেতা-কর্মীরা ইতিমধ্যেই
মনোনয়নের খবরে উৎসবমুখর। আরিফুল হক চৌধুরী মেয়র হিসেবে নগরী উন্নয়নের বিভিন্ন
প্রকল্প হাতে নিয়েছেন, যার মধ্যে সড়ক ও পানির সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন
গুরুত্বপূর্ণ।
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে দলের মনোনয়ন পেয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা ও বিএনপির উপদেষ্টা ফজলুর
রহমান। তিনি জানিয়েছেন, এলাকায় মানুষের পাশে থেকে তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হতে
চান। মনোনয়ন ঘোষণার পর সমর্থকরা আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছেন।
ফজলুর রহমান আরও জানিয়েছেন, দলীয় দায়িত্ব পালন
করাই তার প্রধান অগ্রাধিকার এবং নির্বাচনী প্রচারণা স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় সফল
হবে।
দল এখনো ৬৩টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেনি। অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও মিত্র দলের সঙ্গে
আসন বণ্টনের কারণে এসব আসনের সিদ্ধান্ত স্থগিত রয়েছে। বিশেষ করে ঝিনাইদহ,
কুমিল্লা, সুনামগঞ্জ, নীলফামারী এবং ঢাকা জেলার কয়েকটি আসনে প্রার্থীদের মধ্যে
প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র।
বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা
হয়েছে, যার পর নেতাকর্মীরা আনন্দ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ
আশা করছেন, মনোনীত প্রার্থীরা ভোটে জয়লাভ করে এলাকার উন্নয়ন নিশ্চিত করবেন।
বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আশা করছেন, মনোনীত প্রার্থীরা নির্বাচনী এলাকায় জনগণের
পাশে থেকে দলের মূল্যবোধ বজায় রাখবেন। এছাড়া দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম
আলমগীর আশ্বাস দিয়েছেন, যারা এখনও মনোনয়ন পাননি, তাদেরও যথাযথ দায়িত্ব দেওয়া হবে।
বিএনপির মনোনয়ন প্রার্থী ৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে নির্বাচনী এলাকায় শক্তিশালী উপস্থিতি বজায় রেখেছেন।
সিলেট-৪ আসনে সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এবং কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর
রহমানের মনোনয়ন ঘোষণার পর স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ব্যাপক আনন্দ প্রকাশ করেছেন।
ভোটের সম্ভাবনা নিয়ে সিলেট ও কিশোরগঞ্জে সমীক্ষা ও স্থানীয় গণমাধ্যমে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া
এসেছে। দল এখনও ৬৩টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা বাকি রেখেছে, যা নির্বাচনী উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। মনোনীত
প্রার্থীরা তাদের এলাকায় জনগণের পাশে থেকে ভোট প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন, এবং নির্বাচনী
পরিস্থিতি এখন খুবই উত্তেজনাপূর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন