ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের পর এবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনেও ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রার্থীরা ভূমিধস জয় পেয়েছে। অন্যদিকে, টানা দুটি নির্বাচনে ভরাডুবির মুখে পড়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের বড় দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদে এই ফলাফল দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন—
আওয়ামী লীগ আমলে দীর্ঘ সময় ক্যাম্পাসে সক্রিয় থাকতে না পারা
সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ধারাবাহিকতার অভাব
অছাত্র নেতৃত্বের কারণে আস্থা হারানো
এসব কারণে ছাত্রদল ক্যাম্পাসে দৃশ্যমান কার্যক্রম পরিচালনা করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলস্বরূপ, নতুন প্রজন্মের কাছে শিবিরের মতো গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করতে পারেনি দলটি।
দীর্ঘ ৩৩ বছর পর অনুষ্ঠিত জাকসু নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হয় বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। গণনা শুরু হয় রাত সোয়া ১০টায়, যা শেষ হয় প্রায় ৪৫ ঘণ্টা পর। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে সিনেট ভবনে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
কেন্দ্রীয় সংসদের ২৫টির মধ্যে ২০টিতে জয় পেয়েছে শিবির সমর্থিত প্রার্থীরা।
সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সহ বেশিরভাগ সম্পাদকীয় পদ তাদের দখলে গেছে।
এর আগে বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঘোষিত ডাকসু নির্বাচনে ২৮টি পদের মধ্যে ২৩টিতে জয় পেয়েছে শিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’। এর মধ্যে ছিল ভিপি, জিএস ও এজিএসের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদও।
বিশ্লেষকদের মতে, টানা দুটি নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের সাফল্য এবং ছাত্রদলের ভরাডুবি ভবিষ্যৎ রাজনীতির চিত্র পরিবর্তন করতে পারে।
শিবির নতুন প্রজন্মের আস্থা অর্জন করছে।
ছাত্রদলের দুর্বল সাংগঠনিক কাঠামো তাদের বড় সংকটে ফেলছে।

শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের পর এবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনেও ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রার্থীরা ভূমিধস জয় পেয়েছে। অন্যদিকে, টানা দুটি নির্বাচনে ভরাডুবির মুখে পড়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের বড় দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদে এই ফলাফল দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন—
আওয়ামী লীগ আমলে দীর্ঘ সময় ক্যাম্পাসে সক্রিয় থাকতে না পারা
সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ধারাবাহিকতার অভাব
অছাত্র নেতৃত্বের কারণে আস্থা হারানো
এসব কারণে ছাত্রদল ক্যাম্পাসে দৃশ্যমান কার্যক্রম পরিচালনা করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলস্বরূপ, নতুন প্রজন্মের কাছে শিবিরের মতো গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করতে পারেনি দলটি।
দীর্ঘ ৩৩ বছর পর অনুষ্ঠিত জাকসু নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হয় বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। গণনা শুরু হয় রাত সোয়া ১০টায়, যা শেষ হয় প্রায় ৪৫ ঘণ্টা পর। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে সিনেট ভবনে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
কেন্দ্রীয় সংসদের ২৫টির মধ্যে ২০টিতে জয় পেয়েছে শিবির সমর্থিত প্রার্থীরা।
সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সহ বেশিরভাগ সম্পাদকীয় পদ তাদের দখলে গেছে।
এর আগে বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঘোষিত ডাকসু নির্বাচনে ২৮টি পদের মধ্যে ২৩টিতে জয় পেয়েছে শিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’। এর মধ্যে ছিল ভিপি, জিএস ও এজিএসের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদও।
বিশ্লেষকদের মতে, টানা দুটি নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের সাফল্য এবং ছাত্রদলের ভরাডুবি ভবিষ্যৎ রাজনীতির চিত্র পরিবর্তন করতে পারে।
শিবির নতুন প্রজন্মের আস্থা অর্জন করছে।
ছাত্রদলের দুর্বল সাংগঠনিক কাঠামো তাদের বড় সংকটে ফেলছে।
[46]
[45]
[26]
[248]
[297]

আপনার মতামত লিখুন