বাংলাদেশ শনিবার, ২০ জুলাই, ২০২৪, ৫ শ্রাবণ ১৪৩১

শাবিপ্রবিতে রমজানে খাবার নিয়ে ‘মিল বিপাকে’ ফজিলাতুন্নেসা হলের শিক্ষার্থীরা

দৈনিক প্রথম সংবাদ ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ১৮, ২০২৪, ১১:৫২ পিএম

শাবিপ্রবিতে রমজানে খাবার নিয়ে ‘মিল বিপাকে’ ফজিলাতুন্নেসা হলের শিক্ষার্থীরা

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হল

রমজান মাসে খাবার নিয়ে নানান সমস্যায় পড়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলের শিক্ষার্থীরা। মিল না দিলে পাওয়া যায় না খাবার। ফলে সাহরীতেও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে হলের নারী শিক্ষার্থীদের। এছাড়া অন্য হলের তুলনায় খাবারে দামও বেশি, অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী ও ছাত্রদের ৩টি করে মোট ৬টি হল রয়েছে। সব হলেই ডাইনিং ও ক্যান্টিন সুবিধা চালু রয়েছে। এর মধ্যে বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলে প্রায় চারশো আশি জন মেয়ে শিক্ষার্থী। এই হলে নেই খাবারের পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা। ডাইনিংয়ে আগের দিন মিল দেওয়া নিয়ে শিক্ষার্থীরা পড়ছেন বিপাকে। রমজান মাস উপলক্ষে বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল (তৃতীয় ছাত্রীহল) কর্তৃপক্ষের নির্দেশে উভয় জায়গায় মিল সিস্টেম করার সিদ্ধান্ত নেন ডাইনিং-ক্যান্টিন ব্যবস্থাপকরা। কিন্তু ক্যান্টিনে শিক্ষার্থীদের মিলের খাবারে পছন্দের খাবারের সুযোগ থাকলেও ডাইনিংয়ে সে সুযোগ নেই।


শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, অন্যান্য হলের তুলনায় এই হলে খাবারের দামও বেশি। তাছাড়া কেউ যে রুমে রান্না করে ডাইনিং থেকে ভাত নিয়ে আসবে, সে সুযোগও নেই। লস হওয়ার অজুহাতে ডাইনিং ব্যবস্থাপকরা সিঙ্গেল কোন ভাতও বিক্রি করেন না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানান, ‘রাতে খাবার খেতে গেছি। কিন্তু খাবারের তরকারি আমার পছন্দ হয়নি। তাই না খেয়ে চলে আসতে চাইলে তারা আমার থেকে টাকা চার্জ করে। কিন্তু আমি টাকা দেইনি। পরে খাবারের উপায়ন্তর না দেখে বেগম সিরাজুন্নেছা চৌধুরী হল থেকে খেয়ে আসি।’

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘বাসি খাবারের সমস্যা এড়াতে হল কর্তৃপক্ষ এ সিস্টেম চালু করেছে। কিন্তু আমাদের ব্যস্ততার কারণে অনেক সময় মিল অর্ডার করা হয় না। তাছাড়া এ হলে অন্যান্য হলের তুলনায় খাবারের দাম গড়ে ১০/১৫ টাকা বেশি। তাই আমরা এত দুর্ভোগ না ভুগে সেকেন্ড লেডিস হল থেকে খেয়ে আসি।’

এ বিষয়ে হলটির প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. চন্দ্রাণী নাগ বলেন, রমজানে শিক্ষার্থীদের যাতে কোনো বাসির খেতে না খায়। তাই এ মিল সিস্টেম চালু করছি। এতে শিক্ষাথীদের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে, ডাইনিং কর্তৃপক্ষেরও কোনো লস হলো না। তাছাড়া আমি আজ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মিটিং করেছি, বলেছি এতে যদি তাদের সমস্যা তাহলে এ সিস্টেম উইথড্র করে নিব।

Link copied!

সর্বশেষ :